Showing posts with label গোয়েন্দা গল্প. Show all posts
Showing posts with label গোয়েন্দা গল্প. Show all posts

হাসপাতাল রহস্য (৩য় পর্ব)..................শাহরীন মৌন

হাসপাতাল রহস্য (৩য় পর্ব)..................শাহরীন মৌন
বাসাবোর এই দোকানটায় খুব ভালো সাজগোজের জিনিস পাওয়া যায়। আবির বাইরে দাঁড়িয়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভাবছে ভেতরে ঢুকবে কি ঢুকবে না। আসলে এই দোকানটায় মেয়েদের খুব ভীড়। পুরুষ নেই বললেই চলে। কিন্তু ওকে তো ভেতরে ঢুকতেই হবে। কে জানে সবাই ওকে দেখে হাসি-তামাশা করবে কিনা। সে যা ইচ্ছা করুক। এইসব বিষয়ে গোয়েন্দাদের বেশি মাথা ঘামাতে নেই। কাজের জন্য যদি একটু কারো হাসির খোরাক হতে হয়, হলোই বা ! তাতে কি এলো গেলো। অনেক ভেবে শেষ পর্যন্ত ভেতরে ঢুকলো আবির। একটা দিকে দেখলো ভীড় নেই বললেই চলে। ও সেদিকটায় গেলো আর দেখলো ওর যা যা প্রয়োজন সবই এখানে আছে। তাড়াতাড়ি ও সেগুলো কিনে নিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলো। 
শুভ বাড়িতেই আছে। এই সময় ওর তেমন কাজ নেই। যদিও সামনে তার ল ফাইনাল পরীক্ষা। পড়তে বসা দরকার। কিন্তু পড়ায় যে একদমই মন নেই। এই হয় আসলে। নতুন কেস আসলে ওর পড়া হয় না। দিনরাত শুধু কেসটা নিয়েই ভাবতে থাকে।
আবির সেই যে গেছে এখনো ফিরছে না। এদিকে শুভ বাড়িতে বসে টেনশন করছে। কে জানে কোথায় গেলো সে। "একটা জিনিস তো আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না, হাসপাতাল যদিও জড়িত থাকে এই কেসে কিন্তু যারা মারা গেছে তাদের পরিবার কেনো কিছু জানায়নি থানায়? কিসের ভয়ে? নাকি কেউ ওদেরকে ইচ্ছে করেই ভয় দেখিয়ে থামিয়ে রেখেছে? 
মনে মনে ভাবছে শুভ। আসলেই বিষয়টা বেশ জটিল। এর আগে কিছু জটিল কেস পেয়েছে ওরা। কিন্তু এতটা জটিল কোনো কেসই ছিলো না। ঘটনা কোন দিক দিয়ে কোথায় যে যাচ্ছে বোঝাই যাচ্ছে না। 
এইতো বেশ কয়েকদিন আগে রাতুল খানের বাড়িতে অদ্ভুত ধরণের হুমকি দিয়ে চিঠি আসতো। শেষে আবির ভাই-ই বের করলো যে, রাতুল খান নিজেই বাবার সম্পত্তির জন্য এমন জঘন্য কাজ করেছিলেন। 
সে যাই হোক। এবারের কেসটা খুব ভয়ংকর আর জটিলতায় ভরপুর। নয় নয়টা সুইসাইডাল কেস হওয়া সত্তেও হাসপাতালের লোকজন, প্রশাসন এমনকি ভিক্টিমদের বাড়ির লোক অবধি ভাবলেশহীন! হাসপাতালের একটা বড় অংশ যে এই কাজের সাথে জড়িত তাতো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু কেন? কি উদ্দেশ্যে এই জঘন্য কাজ গুলো করছে তারা? "নাহ্, আর ভাবা যাচ্ছে না। যাই ভাবছি মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে। 
আবির ভাই যে কীভাবে একসাথে এতো কিছু সামলায় কে জানে। কিন্তু সে তো গেছে অনেকক্ষণ। এখনো কেনো ....

"ক্রিং ক্রিং .....ক্রিং ক্রিং ......" হঠাৎই ফোন বেজে উঠলো শুভর। 
"হ্যালো!
.... 
জ্বি বলছি। বলুন
...... 
আপনি কে কথা বলছেন? 
..... 
ঠিক আছে। কাল সকাল ১০ টায় চলে আসুন।
....... 
আচ্ছা।" 
ফোনটা রেখে বারান্দায় এলো শুভ। কাল সকালে একজন আসবে বললো। খুব নাকি জরুরি কাজ তার। আবার নতুন কেস নাকি কে জানে! না, আবির ভাই আগে আসুক। দেখি কী বলে সে। 
এমন সময় দরজায় বেল বাজলো। শুভ গিয়ে দরজা খুলতেই দেখলো একজন লম্বা চওড়া লোক কিন্তু মাথায় মেয়েদের মতো লম্বা চুল। আগে কখনো দেখেছে বলে তো মনে পড়ছে না। 
- কে আপনি?
- তুইও আমাকে চিনতে পারলি না? তাহলে বাইরের মানুষও চিনতে পারে নি নিশ্চয়ই।
- আবির ভাই! তুমি? মাই গড! আসলেও চিনতে পারিনি। কি বেশ ধরেছো সত্যি!
- আরে দরজা আগলে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? সর, ভেতরে ঢুকতে দে।
- হ্যাঁ, হ্যাঁ। চলো।
রাতে খাবার টেবিলে বসে শুভ আবিরকে জিজ্ঞেস করে,"কোথায় গেছিলে বলো তো? সেই যে কখন গেলে এলে এই একটু আগে। কী কী করলে সারাদিন? কিছু ক্লু পেলে? 
- আরে, আস্তে আস্তে প্রশ্ন কর। এতো প্রশ্ন একসাথে করলে কোনটার উত্তর দেবো? 
- আচ্ছা, আস্তে ধীরেই বলো।
- গিয়েছিলাম তো অনেক জায়গায়। তাই দেরি হয়েছে।
- কোথায় গিয়েছিলে? 
- প্রথমে গেলাম হাসপাতালে। দেখলাম যে আজকে কেমন পরিবেশ। দেখলাম আজকেও বেশ কয়েকজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। তারমানে যারা এই কর্মকান্ড চালাচ্ছে, তারা পরবর্তীতে এদের মধ্যে থেকে কাউকে তাদের টার্গেট বানাবে। আমাদের কাল অনেক কাজ আছে কিন্তু শুভ। 
- আচ্ছা আবির ভাই, যারা ভর্তি হচ্ছে, তারা কি জেনে শুনেই এই কাজ করছে? মানে তারা কি জানে যে এই হাসপাতালে যে ভর্তি হয়, সেই কোনো না কোনো ভাবে সুইসাইড করে? 
- দেখ, নিজে যেচে কেইবা আর মরতে চায় বল? কিন্তু আমি ভাবছি অন্য কথা।
- কি ভাবছো? 
- ভাবছি যে এই অসহায় মানুষদের জীবন নিয়ে কার কী লাভ? আর এরাই বা কেনো সুইসাইড করে? দেখ, হাসপাতালে সবাই তো আসে নিজেকে সুস্থ করে তুলতে। এখন সেইখানে এসেই কেউ নিজেকে কেনই বা শেষ করবে!
- আর কোথাও গেছিলে? 
- হ্যাঁ, তুই বললি না যে ৯টা সুইসাইড হয়েছে? ৯ টা না। ১৩টা সুইসাইডাল কেস হয়েছে। 
- হোয়াট? ১৩টা? 
- হ্যাঁ, ১৩টা। 
- কিন্তু…
- কিন্তু কথা হচ্ছে যে কোনো ভিক্টিমের মানে যারা মারা গেছে আর কি, তাদের কোনো তথ্য হাসপাতালের লিস্টে নেই। আরো বড় কথা কি জানিস? এদের পরিবারেরও কোনো খোঁজ নেই। এদের বাড়ির লোক কারা, কোথায় থাকে কিছুই বের করতে পারলাম না এখন পর্যন্ত। 
- অদ্ভুত তো!
- থানায়ও গিয়েছিলাম বুঝলি। থানার অফিসারের কথাও সুবিধার মনে হলো না। উনাকে আমি যখন জানালাম যে ১৩টা সুইসাইডাল কেস হয়ে গেছে এর মধ্যে, উনি চমকে না গিয়ে ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বহীনভাবে দেখলেন। আর সেই ঠাট্টাই করে গেলেন। 
- আমার কি মনে হয় জানো আবির ভাই? এই অফিসারও মনে হয় এই কাজের সাথে যুক্ত আছে। নাহলে বলো না, ১৩টা খুনের কথা শুনেও উনি এমন কীভাবে করতে পারেন?
খাবার থেকে মুখ তুলে আবির তাকালো শুভর দিকে। কি বললি? খুন? 
- আমার কাছে এখন তাই মনে হচ্ছে। নাহলে হাসপাতালে যারা যাচ্ছে তারা কেনোই বা সুইসাইড করবে বলো? 
- হুম, সেটা তো ভাবছিই। আচ্ছা খেয়ে নে।
খাওয়া শেষে শুভ’র হঠাৎই বিকালের ফোন কলের কথা মনে পড়লো। উফফ, আবির ভাইকে তো বলাই হয়নি ফোনের কথাটা। যাই বলে আসি।আবির ভাইয়ের ঘরে ঢুকে দেখি খাতায় কি যেনো আঁকাআঁকি করছেন। গভীর কিছু চিন্তা করলে এমনটাই করে সে। এই সময় কেউ তাকে ডাকে না। ডাকলেও সে সাড়া দেয় না। তাই শুভ না ডেকেই বের হয়ে এলো। বিছানায় এসে শুতেই ঘুমে গা এলিয়ে দিলো বিছানায় । 
পরেরদিন সকালে ১০ টায় বেল বাজলো ওদের বাড়িতে। শুভ এখনো ওঠেনি ঘুম থেকে। আবির অনেক আগেই উঠে গেছে। এই সময় সাধারণত বুয়াই আসে। কিন্তু আজ তো বুয়াকে আসতে মানা করে দিয়েছি। তাহলে এই সময় কে? 
বেল বেজেই যাচ্ছে। শুভ কি উঠেনি ঘুম থেকে? আচ্ছা আমিই যাই। 
" যাই .......। " 
দরজা খুলতেই ..............

চলবে...............

হাসপাতাল রহস্য...................শাহরীন মৌন

হাসপাতাল রহস্য...................শাহরীন মৌন
আগের পর্বের রেশ ধরে....

সে ফিরে তাকাতেই দেখলো তারই সহকারী শুভ।
: ওহ্, তুই! আমি ভাবলাম আবার এখানে কে আমাকে চিনে ফেললো।
: (সামান্য হেসে) তা ছদ্মবেশে এলেই পারতে!
: হ্যাঁ, তাই ভাবছি। এখন যখন প্রায়ই এখানে আসতে হবে তখন ছদ্মবেশ নিতেই হবে। তো তোর কাজটা হয়ে গেছে?
: হ্যাঁ, বেশ কিছু তথ্য আমি জোগাড় করেছি। ফিরে গিয়ে বলছি, চলো।
: দাঁড়া, নার্সটা সেই কখন ভেতরে গেছে, এখনো আসার নাম নেই।
: কেনো? ঢুকতে দিচ্ছে না ভেতরে?
: নাহ, এখন নাকি ভেতরে ঢোকা যাবে না। কিন্তু আমি ভাবছি যদি ঢুকতে না দেয়, তাহলে কীভাবে আমি ভেতরে যাবো।
: উমমম, আবির ভাই, নার্সটাকে হাত করা যায় না? মানে যদি কোনো ভাবে ওকে আমরা ম্যানেজ করতে পারতাম তাহলে ব্যাপারটা সহজ হতো না? এরা তো টাকার জন্যই খাটে।
: না, না। এটা করা যাবে না। এই হাসপাতালের সাথে জড়িত কাউকে কিচ্ছু জানানো যাবে না শুভ। কারণ, এরা হতেও পারে এই অপরাধের সাথে যুক্ত। তাই এই রিস্কটা নেয়া যাবে না।
: হ্যাঁ, কিন্তু যদি আমাদের ঢুকতে না দেয়, তবে আমরা কীভাবে কেবিনগুলো দেখবো বলো?
: একটা ব্যবস্থা তো করতেই হবে। দেখি না, আগে নার্সটা আসুক। কি বলে শুনি।
: হুম।
ওরা দু’জন হাসপাতালের এক কোণায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে থাকে। এরই মধ্যে নার্স ফোনে কথা শেষে ওদের কাছে চলে আসে। শুভকে দেখে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। আবির বুঝতে পেরে বলে,
: ও আমার ভাই, শাকিব। ইচ্ছা করেই আসল নামটা গোপন করে আবির। আচ্ছা, আমাদের যেতে দেবেন না ভেতরে? আমাদের তো খুবই দরকার।
: দেখেন, আমি তো সাধারণ নার্স। আমাকে যেমন নির্দেশ দেয়া হয় আমি তেমনই করি। আমি ওপর মহল থেকে অনুমতি নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা অনুমতি দিলেন না। আপনারা জিনিসগুলোর মায়া ছেড়ে দিন। আর এমনিতেও আপনারা ওগুলো পেতেন না। কারণ, ডেডবডি সরানোর পরে কেবিন ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলা হয়। কিছু জিনিস থাকলে তা তাদের বাড়ির লোকই নিয়ে যায়, নয়তো আমরা ফেলে দেই। তাই বলছি, আপনাদের জিনিসও আপনারা পাবেন না।
: এমন বলবেন না। আমাদের যে ওগুলো খুব দরকার। একটু দেখেন না যদি ব্যবস্থা করতে পারেন ।
: আহা! আপনাদের বলছি না অনুমতি নেই! কেনো বায়না করছেন? আর কি এমন জিনিস যেটা না হলেই নয়? মানুষটাই তো মারা গেলো। আর কি চান বলেন তো। আমার কাজ আছে। আমাকে যেতে দিন। এই বলে নার্স ওখান থেকে চলে গেলো।
: আবির ভাই, কি ভাবছো? কি করবে এবার?
: বুঝতে পারছি না। তবে গণ্ডগোল যে বড় সড় সেটা আন্দাজ করতে পারছি ভালোভাবে।
: আমাদের অন্য রাস্তায় হাঁটতে হবে বুঝলে?
: হুমম, তাই ভাবছি। চল, আজকের মতো ফিরে যাই। কিন্তু কাল আবার আসবো।

আবির আর শুভ হাসপাতাল থেকে চলে আসে। শুভ, আবিরের সহকারী। ছোট ভাইও বলা যায়। একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ল পড়ছে। আর আবিরকে কাজে সহায়তা করছে। এরই মধ্যে আবিরের সাথে বেশ কিছু কেস সল্ভও করেছে। তাই আবির তাকে অনেক ভরসা করে। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কাজের দায়িত্ব শুভ পালন করে। এইতো, এই কেসেও আবিরকে সাহায্য করছে।
শুভর বাবা, মা গ্রামে থাকেন। আর আবিরের বাবা মা অনেক আগেই মারা গেছেন। চাচার কাছেই মানুষ হয়েছে আবির। বেশ কিছুদিন হয়েছে চাচাও মারা গেছেন। এখন আবির বলতে গেলে একাই। তাই আবির আর শুভ একসাথেই থাকে। ভালোই হয়েছে একদিক দিয়ে। বাসায় তারা ছাড়া আর কেউ থাকে না, এতে তাদের কাজে সুবিধা হয়। বেশ কয়েকদিন হলো ওরা বাসায় ছুটা বুয়া রেখেছে। সকালে এসে কাজ করে দুপুরে চলে যায়। বুয়া অবশ্য জানে না যে ওরা গোয়েন্দা। বাড়তি সতর্কতা নিতেই হয়। কারণ শত্রুরা সব সময় তথ্য চায়, আর তাই এদেরকেই আগে হাত করে।

হাসপাতাল থেকে ফিরে শুভ আর আবির বারান্দায় বসে চা নিয়ে। শুভ আলাপ শুরু করে,
: এই নিয়ে মোট ৯টা সুইসাইডাল কেস হয়েছে এই হাসপাতালে।
: ৯ টা !!
: হুমম, ৯ টা। আর সবচেয়ে বড় আশ্চর্যজনক কি জানো? এই ৯ জনই কিছু না কিছু রোগ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলো।
: হাসপাতালে সবাই তো চিকিৎসার জন্যই আসে।কিন্তু এই ৯ জনই কেনো?
: আরেকটা কথা। সবারই মৃত্যু রাত ১ টা থেকে ৩ টার মধ্যে।
: অদ্ভুত তো। দেখো আবির ভাই,আমার যতো দূর ধারণা হাসপাতালে কিছু একটা ঘটনা আছেই।
: তা তো আছেই শুভ। বড় ধরণের খেলা চলছে ওখানে। কিন্তু,
: কিন্তু?
: আমি ভাবছি, এই যে মানুষগুলো সুইসাইড করেছে তাদের পরিবারের কেউ কেনো থানায় জানায়নি?
: তুমি গিয়েছিলে থানায়?
: হ্যাঁ,আগে থানায় গিয়েছিলাম। অফিসার বললেন যে,উনি এমনটা শুনেছেন কানাঘুষা কিন্তু কেউই নাকি উনার কাছে অভিযোগ দায়ের করেননি।
: এটা কীভাবে সম্ভব? না,মানে মানছি যে হাসপাতাল এই মৃত্যুগুলোর সাথে হয়তো জড়িত। কিন্তু তাই বলে ভিক্টিমের পরিবারও? উনাদের কি স্বার্থ?
: দেখ, কার কী স্বার্থ, কে কেনো কী করেছে এগুলোর উত্তর জানতে হলে আমাদের আগে হাসপাতালের ভেতরে যাওয়াটা খুব জরুরি। মারা যাবার আগে তারা যে কেবিনগুলোতে ছিলো সে জায়গাগুলো দেখা দরকার একবার।
: কিন্তু আমাদেরকে কোনো কারণ ছাড়া ওরা ঢুকতে দেবে না। ছদ্মবেশ নিতেই হবে।
: সেটাই ভাবছি। শুভ, তুই একটু থাক। আমি চট করে আসছি। বলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলো আবির।
(চলবে........)